Sajid's Reviews > Pather Dabi: The Right of Way
Pather Dabi: The Right of Way
by
by
পথের দাবী হচ্ছে স্বাধীনতার সাধনা,মুক্তির সাধনা ও মানুষের মর্যাদার অঙ্গীকার।সেই ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলার মানুষের দেশের প্রতি নিজ অধিকার হারিয়েছিল,মনুষ্যত্ব হারিয়ে পশুর ন্যায় জীবন-যাপন করছিল;এই নির্যাতিত জীবন পদ্ধতিকেই গরীব-অসহায় মানুষরা মেনে নিয়েছিল।পরাধীন দেশের মানুষকে দৈনন্দিনের এই দৌরাত্ম থেকে মুক্ত করার জন্য একদল বিদ্রোহী মানুষ মুখ তুলে লড়াই করছিল ইংরেজদের অনৈতিকতার বিরুদ্ধে।এই বিশাল ও শক্তিশালী ইংরেজদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে জয়ী হওয়াটা সম্ভব নয়;তবুও দেশের প্রতি ভালোবাসা তাঁদেরকে সংগ্রামের পথে নিয়ে যায়। দেশের ভালো হোক বা খারাপ হোক সেটা তাঁরা বুঝতে চায়না;বরং তাঁরা কেবল দেশকে স্বাধীন করতে চায়–তাতে যদি হাজার মানুষের প্রানও যায় তাঁরা সেটা দ্বিধা করেনা।
এইরুপ আইডিয়ার দ্বারাই পথের দাবী উপন্যাসটি।
অপুর্ব'র বর্মাতে যখন চাকুরির জন্য যখন আসে,তখন ভারতী নামের ক্রিশচিয়ান মেয়ের সাথে দেখা হয়;তখন তাঁর প্রতি যদিও ঘৃণা ছিল,কেননা অপূর্ব জাতে ব্রাহ্মন।কিন্তু ধীরে ধীরে এই ঘৃণাই পরিনত হয় শ্রদ্ধায়। ভারতী চরিত্রটি নিতান্তই রহস্যময়ী, তাঁর কোনো কাজ-কর্মের উদ্দেশ্য অপূর্ব খুঁজে পায়না।অন্যদিকে বর্মায় সব্যসাচী নামক বিদ্রোহীর খোঁজে পুলিশেরা উদগ্রীব ও হয়রান।অপূর্ব একদিন আকস্মিকভাবে ভারতীর প্রভাবে "পথের দাবী" নামক দলের সাথে জড়িয়ে পরে এবং সেখানেই তাঁর সাথে দেখা হয় সব্যসাচীর;যদিও আগে একবার দুজনের দেখা হয়েছিল।আপাতদৃষ্টিতে পথের দাবীর সভাপতি সুমিত্রাকে মনে হলেও, ধীরে ধীরে এর রহস্য উদঘাটন হতে থাকে।অপূর্বকে জানানো হয় পধের দাবীর উদ্দেশ্য হচ্ছে গরীব-অসহায় মানুষদের দৈন্দদিন চলার পথের অধিকার ও মর্যাদার অর্জন করা;কিন্তু এর আসল উদ্দেশ্য যে কী তা বুঝতে অপূর্বর আর বিলম্ব হয়না।
সব্যাসাচী হচ্ছে এই গল্পের মূল চরিত্র–তাঁর আদর্শ,তাঁর জ্ঞান ও নৈতিকতা সবকিছুই যেনো সকলকিছুর ওপরে;যে কারনে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা সবারই উর্ধ্বে,বিশেষ করে ভারতীর একটু বেশিই।সব্যসাচীর দেশের প্রতি ভালোবাসা যেনো সকলকিছুকেই অভিভূত করে দেয়।সূর্যের আলোর কারনে জীবজগত যেমন প্রকৃতির দিকে তাকিয়ে তার সৌন্দর্য উপলব্ধি করতে পারে;সেইরুপ সব্যসাচীও সূর্যের ন্যায় দলের সবাইকে আলো দেখায় ও সৌন্দর্য উপলব্ধি করায়।কিন্তু সূর্যের প্রবল উত্তাপ যেমন পুড়িয়ে ছাই করে দিতে পারে;সব্যসাচীও তাঁর শত্রুকে পুড়িয়ে ছাই করে–সে সবকিছুই সহ্য করতে পারে;কিন্তু শত্রুর জয় ও নিষ্ঠুরতা সহ্য করতে পারে না।যার কারনে নিজের জীবনের প্রতি তাঁর কোনো ভালোবাসা নেই;দেশকে শত্রুর হাত রক্ষা করাই তাঁর একমাত্র ইচ্ছা ও উদ্দেশ্য।
এইরুপ আইডিয়ার দ্বারাই পথের দাবী উপন্যাসটি।
অপুর্ব'র বর্মাতে যখন চাকুরির জন্য যখন আসে,তখন ভারতী নামের ক্রিশচিয়ান মেয়ের সাথে দেখা হয়;তখন তাঁর প্রতি যদিও ঘৃণা ছিল,কেননা অপূর্ব জাতে ব্রাহ্মন।কিন্তু ধীরে ধীরে এই ঘৃণাই পরিনত হয় শ্রদ্ধায়। ভারতী চরিত্রটি নিতান্তই রহস্যময়ী, তাঁর কোনো কাজ-কর্মের উদ্দেশ্য অপূর্ব খুঁজে পায়না।অন্যদিকে বর্মায় সব্যসাচী নামক বিদ্রোহীর খোঁজে পুলিশেরা উদগ্রীব ও হয়রান।অপূর্ব একদিন আকস্মিকভাবে ভারতীর প্রভাবে "পথের দাবী" নামক দলের সাথে জড়িয়ে পরে এবং সেখানেই তাঁর সাথে দেখা হয় সব্যসাচীর;যদিও আগে একবার দুজনের দেখা হয়েছিল।আপাতদৃষ্টিতে পথের দাবীর সভাপতি সুমিত্রাকে মনে হলেও, ধীরে ধীরে এর রহস্য উদঘাটন হতে থাকে।অপূর্বকে জানানো হয় পধের দাবীর উদ্দেশ্য হচ্ছে গরীব-অসহায় মানুষদের দৈন্দদিন চলার পথের অধিকার ও মর্যাদার অর্জন করা;কিন্তু এর আসল উদ্দেশ্য যে কী তা বুঝতে অপূর্বর আর বিলম্ব হয়না।
সব্যাসাচী হচ্ছে এই গল্পের মূল চরিত্র–তাঁর আদর্শ,তাঁর জ্ঞান ও নৈতিকতা সবকিছুই যেনো সকলকিছুর ওপরে;যে কারনে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা সবারই উর্ধ্বে,বিশেষ করে ভারতীর একটু বেশিই।সব্যসাচীর দেশের প্রতি ভালোবাসা যেনো সকলকিছুকেই অভিভূত করে দেয়।সূর্যের আলোর কারনে জীবজগত যেমন প্রকৃতির দিকে তাকিয়ে তার সৌন্দর্য উপলব্ধি করতে পারে;সেইরুপ সব্যসাচীও সূর্যের ন্যায় দলের সবাইকে আলো দেখায় ও সৌন্দর্য উপলব্ধি করায়।কিন্তু সূর্যের প্রবল উত্তাপ যেমন পুড়িয়ে ছাই করে দিতে পারে;সব্যসাচীও তাঁর শত্রুকে পুড়িয়ে ছাই করে–সে সবকিছুই সহ্য করতে পারে;কিন্তু শত্রুর জয় ও নিষ্ঠুরতা সহ্য করতে পারে না।যার কারনে নিজের জীবনের প্রতি তাঁর কোনো ভালোবাসা নেই;দেশকে শত্রুর হাত রক্ষা করাই তাঁর একমাত্র ইচ্ছা ও উদ্দেশ্য।
Sign into Goodreads to see if any of your friends have read
Pather Dabi.
Sign In »
Reading Progress
June 29, 2019
–
Started Reading
June 29, 2019
– Shelved
July 5, 2019
–
Finished Reading

